বাংলা স্পেলচেকার বা বানান-পরীক্ষক
(অরূপের বানানশোধক সিরিজে মন্তব্য করতে গিয়েই এটা লেখার সূচনা। এ লেখা পড়ার আগে ওই সিরিজটা পড়া থাকলে সুবিধা হবে।)
নতুন কিছু যোগ করে, একটু এদিক সেদিক করে লেখাটাকে একটা সমাপ্তি দেয়ার চেষ্টা করলাম। প্রয়োজনবোধে পরে আবার নতুন কিছু লেখা যাবে।
কবুতরই ভরসা এখন
কয়েক মাস ধরে দেশ থেকে কোন চিঠি পাই না। একটা পার্সেল পাবার কথা সেটাও আর আসে না। অস্ট্রেলিয়া পোস্টে খোঁজ করে জানা গেল বাংলাদেশ থেকে কোন কিছু আসছে না, যাচ্ছেও না। কারণ কী? বকেয়া বাকী। প্রথমে শুনলাম দ্বিপাক্ষিক লেনদেন, গতপরশু পত্রিকা দেখে জানলাম সিংগাপুর এয়ারলাইনসও আছে এ প্যাঁচের মধ্যে। ওদের কাছে ডাক বিভাগের দেনার পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা। দিচ্ছি দেব করেও ডাক বিভাগ সেটা দেয়নি, তাই বাধ্য হয়ে তারা ডাক পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডাক মহাপরিচালক বলে, তারা বাজেট চেয়ে পায়নি, মন্ত্রণালয় সময়মতো এটা করেনি সেটা করেনি- আজ কালের মধ্যে সব ঠিক হয়ে যাবে। বেটাকে চাবকানো দরকার।
তারে জমিন পার- চিত্রকল্প আর বাস্তবতা
||১|| প্রাককথন
অনেকে অনেক উদ্দ্যেশ্য নিয়ে এ ছবিটি দেখলেও আমার বিশেষ আগ্রহ নিয়ে ছবিটি দেখার মূল কারন অন্যত্র। আমার নিজের সন্তানের মানসিক বিকাশ বিলম্বিত; যার প্রয়োজনে ডাক্তার, বিশেষজ্ঞ, হাসপাতাল, থেরাপিস্ট, সোসাল ফোরাম সব জায়গাতেই দৌড়াই।
ক্রিসমাস উপহার
তখন ক্রিসমাসের সময়। একেবারে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটার জন্য মলে যাই। আঁধার হয়ে এসেছে, ঠাণ্ডা ভেজা ভেজা। গাড়ির ট্রাঙ্ক খুলে শপিং ব্যাগগুলো রাখছিলাম। ঠিক তখনই মনে হলো খেলনার দোকান থেকে রসিদ নেয়া হয়নি। ছেলেমেয়েরা কোন একটা খেলনা অপছন্দ করলে তা পাল্টানো ঝামেলা হবে। গজগজ করতে করতে শপিং মলের দিকে পা বাড়াই।
বালামের বেইল শেষ
লেখার আগে স্বীকারোক্তি। দেশে থাকতে মানবজমিন খুব একটা ভাল লাগত না। তবে যখন জেসমিনের একটা ছবি তারা ছেপে দিল, তারপর থেকে...। প্রবাসে প্রতিদিন সকালে উঠে প্রথমে প্রথম আলোর শিরোনাম দেখি, তার পরই মানবজমিনের বিনোদন পাতা। তার বাদে, ইনকিলাবের বিনোদন পাতা (আওয়ামীকরণের পর ইনকিলাবের যথেষ্ট উন্নতি দেখেছি)। মানবজমিন বিনোদন ছাড়াও সাম্প্রতিক কালে বেশ কিছু অসাধারণ আগাম খবর দিয়েছে; অন্যান্য পত্রিকাগুলো সেসব সম্পর্কে কোন ধারণাই দিতে পারেনি।
একটি আধাসত্য কাহিনী
ফোনটা পাবার পর আতিকুল ইসলামের মেজাজটা চরম খিচে গেল। আলীগ, বিএনপি, জোট সব আমলেই আজ্ঞাবহ। সরকারী চাকরি করতে এসে ভং ঢং করলে নিজেরই ক্ষতি। বৌ-পোলাপানরে কে কোন দিক দিয়ে ধরে নিয়ে চলে যাবে। দরকার কী অত ভেজালের। কৃতজ্ঞতার ব্যপারটাও ভুলার না। আশি মণ ঘি খাওয়া ছেলেপেলেও বাদ পড়ছে; আর সে জায়গায় আতিকুল বাড়তি সুবিধা পেয়েছে। খরচ কিছু হয়েছে অবশ্য, সেটা তুলতে এক বছরও লাগে না। ঘাট ঠিক রাখতে পারলে প্রমোশন পোস্টিং সব চাহিদা মতো হয়।